Main Menu

ভূমধ্যসাগরে এক দশকে ২৮ হাজার অভিবাসীর সমাধি

ভূমধ্যসাগরে এক দশকে ২৮ হাজার অভিবাসীর সমাধি. বিগত ২০১৪ সাল থেকে এই পর্যন্ত ২৮ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছাতে গিয়ে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন৷ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ইমারজেন্সি এই তথ্য জানিয়েছে৷

অবশ্য, নিহতের এই সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে৷ সাগরে সংগঠিত দুর্ঘটনাগুলোকে বিশ্লেষণ করে ২৮ হাজারের বেশি নিহতের সংখ্যা চিহ্নিত করতে পেরেছে সংস্থাটি৷

সংস্থাটির তথ্য মতে, ২০২৩ সালে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত দুই হাজার ৬৭৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত অথবা নিখোঁজ হয়েছেন৷ আর গত দশ বছরে অর্থাৎ ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল সময়ে মোট ২৮ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন৷

এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ‘‘মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধাপূর্ণ অধিকার নিয়ে বাঁচতে এবং সুন্দর ভবিষ্যতের আশায় ইউরোপে যাত্রা করতে গিয়ে এ সব নারী, পুরুষ এবং শিশু ও তাদের পরিবারের সদস্যরা নিহত হয়েছেন৷’’

২০২৩ সালে ১২শ উদ্ধার

সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের উদ্ধারকারী জাহাজ লাইফ সাপোর্ট ২০২৩ সালে ভূমধ্যসাগর থেকে ১২শর বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা থেকে উদ্ধার করেছে৷

সংস্থাটি জানায়, ‘‘আমাদের লক্ষ্য খুব সরল: আশ্রয় পাওয়া মানুষের অধিকার৷ মানুষের জীবন বাঁচানো একটি বাধ্যমুলক কাজ৷ নিরাপদ, মুক্ত জীবন হলো মানুষের অধিকার৷’’

ভূমধ্যসাগরে মৃত্যু নিয় তথ্যচিত্র

এদিকে সাগরে নিহতের এই ঘটনা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেছে সংস্থাটি৷ ‘ম্যান অ্যাট সি’ নামের এই ভিডিওতে অভিবাসীদের বিষয়ে মানুষের উদাসীনতার সেই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে৷

ভিডিওতে দেখানো হয়, একটি রৌদ্রোজ্জ্বল সমুদ্র সৈকতে এক লাইফগার্ডের প্রতিচ্ছবি, যিনি ডুবন্ত এক ব্যক্তিকে রক্ষা করতে গিয়ে বাধার শিকার হচ্ছেন৷ একই সঙ্গে ভূমধ্যসাগরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ভাসমান অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দেখানো হয়৷ আরো দেখানো হয়, সৈকতে অবস্থানরত কিছু মানুষ লাইফগার্ডের ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার কাজ চালাতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে৷

সমুদ্র তটে থাকা ওই লোকেদেরকে অভিবাসনবিরোধী বক্তব্য দিতে শোনা যায়৷ তারা বলছেন, ‘‘কে জানে তারা (অবিবাসনপ্রত্যাশীরা) কোথা থেকে এসেছে৷’’ তারা যদি জানতে পারে যে কেউ তাদেরকে উদ্ধার করতে আসবে, তাহলে তারা সাঁতার কেটে এখানে আসতেই থাকবে৷’’

মূলত ভূমধ্যসাগরে ডুবে মরা এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিষযে মানুষের উদাসীনতা দেখাতেই স্টোরিটি বানানোর হয়েছে৷

সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *