Main Menu

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্যবসায়ী হত্যা: গ্রেপ্তার ৫

নিউজ ডেস্ক:
বগুড়ায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী চাচা আবদুর রাজ্জাক সরকারকে (৬৫) প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ঈদুল ফিতরের রাতে সদরের মহিষবাথান বন্দরে প্রকাশ্যে গুলি করে ও কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাদের শহরের দত্তবাড়ী মোড় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজ্জাকের ভাতিজা ওমর খৈয়ম রুপম (৪৫), সীমান্ত (২০), লিমন শেখ (২২) হিফযুল হক জনি (২৬) ও আল আমিন (২২)।

তাদের মধ্যে জনি ও আমিনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। তারা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এর আগে গতকাল ঈদের দিবাগত রাত ১টার দিকে শেখেরখোলা ইউনিয়নের মহিষবাতান নতুন হাট বাজারে রাজ্জাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

সদর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত একমাস আগে রাজ্জাকের মা মারা যান। ঈদের দিন রাতে তিনি বগুড়া শহর থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে মহিষবাথান গ্রামে যান তিনি। সেখানে মায়ের কবর জিয়ারত শেষে মহিষবাথান বন্দরে দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় তার ভাতিজা ওমর খৈয়ম সরকার রোপনের নেতৃত্বে ৮-১০টি মোটরসাইকেলে করে একদল সন্ত্রাসী এসে তাকে ঘিরে ধরে। এরপর একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাজ্জাককে কোপ দেয়। এ সময় তিনি তার ব্যবহৃত লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে কিছুদূর দৌড়ে গিয়ে ত্রিমোহনী এলাকায় রাস্তার ওপর পড়ে যান রাজ্জাক। এ সময় সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে ও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

রাজ্জাককে কুপিয়ে হত্যার পর একটি প্রাইভেট গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-খ ১৫-৫৫৭২) ওই পাঁচজন শহরে আসেন। এ সময় গাড়িটির বেপরোয়া গতি দেখে থামিয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জনি ও আমিনকে শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে গাড়ি তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তলসহ রুপম ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, রুপমসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী জন্য হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে, এটি আমরা এখনো নিশ্চিত নই। গ্রেপ্তার সবার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ইতোমধ্যে মামলা দায়ের হয়েছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.