Main Menu

অভিবাসী ঠেকাতে এভ্রোস সীমান্ত বন্ধ করছে গ্রিস

বিদেশবার্তা২৪ ডেস্ক:
তুরস্ক থেকে অধিকাংশ অভিবাসী গ্রিসে প্রবেশের টেষ্টা করছে এমন অভিযোগ এনে এভ্রোস সীমান্ত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সাথে এভ্রোস সীমান্তে স্টিলের বেড়া দেওয়ার কথা ভাবছে দেশটির সরকার।

সম্প্রতিক সময়ে এথেন্সে প্রায় ১০ হাজার অভিবাসীকে সীমান্ত অতিক্রম বাধা দেওয়া হয়েছে।

গ্রীক অভিবাসন মন্ত্রী নটিস মিটারাকিস বলেন, অবৈধ অভিবাসন থামাতে গ্রিস এবং তুর্কি সীমান্ত জুড়ে ৪০ থেকে ১২০ কিলোমিটার জুড়ে এ স্টিলের বেড়া দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, আঙ্কারা এবং এথেন্স থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস এবং অবৈধ অভিবাসী নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিল গ্রিক সরকার।

গ্রিসের নাগরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী টাকিস থিওডরিকাকস রবিবার বলেন, সম্প্রতি অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এবছরের শুরু থেকে প্রায় ৪০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীকে সীমান্ত অতিক্রমে বাধা দেওয়া হয়েছে।

সীামন্তে অতিরিক্ত সৈন্য নিয়োগঃ

গ্রীসের বিরুদ্ধে স্থলপথ এবং সমুদ্রেপথে আসা অভিবাসীদের পুশব্যাক করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এপ্রিলে জানায় গ্রীক সীমান্ত পাহাড়া এবং অভিবাসীদের জোর করে তুর্কীতে ফেরত পাঠাবার জন্য অতিরিক্ত সৈন্য নিয়োগ করেছে।

চলতি বছরের শুরুতে জাতিসংঘ অভিবাসন স্বংস্থা আইওএম এক রিপোর্টে জানিয়েছে, অভিবাসী এবং শরণার্থীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফোর্স ব্যবহারের কারণে গ্রীক-তুর্কী সীমান্তে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে গেছে।

সম্প্রতি এভ্রোস সীমান্তে নদীর পানি কমে যাওয়ায় অবৈধ অভিবাসন বেড়ে গেছে। এ বছর প্রায় ৩ হাজার অভিবাসী গ্রিসে এসেছে। যার মধ্যে গত মাসেই এসেছে ১ হাজার ১০০ জন।

গেল বছর ২০২১ সালে গ্রীসে ২৮ হাজার ৩৫০ জন আশ্রয়ের জন্য আবেদন করে। যার মধ্যে ৬০ শতাংশকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অধিকাংশ আবেদনকারী ছিল আফগানিস্তানের।

প্রসঙ্গত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত হিসেবে পরিচিত গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যবর্তী দিদিমোটিচোর কাছে এভ্রোস নদী।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.