Main Menu

সিলেটের তিন নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে: চরম দুর্ভোগ

নিউজ ডেস্ক:
সিলেটের প্রধান দুই নদীসহ তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী তীরিবর্তী অনেক নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে পানিতে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সেখানকার মানুষ।

নদীগুলোর পানিসীমার সর্বশেষ তথ্য আজ সোমবার সকালে জানিয়েছে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তারা জানায়, সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর পানি তিনটি পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। কয়েকটি পয়েন্টে গতকালের চেয়ে আজ পানি বেড়েছে।

পাউবো জানায়, আজ সোমবার সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১.২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গতকাল সন্ধ্যা ৬টার চেয়ে আজ সকালে এ পয়েন্টে পানি বেড়েছে ০.৩ সেন্টিমিটার।

সুরমার পানি সিলেট পয়েন্টে গতকালের চেয়ে আজ বেড়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় সিলেট পয়েন্টে পানি ছিল ১০.৪৯ সেন্টিমিটার। আজ সকালে পানিসীমা দাঁড়িয়েছে ১০.৬৬ সেন্টিমিটার।

কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশিদ পয়েন্টে আজ সকালে বিপৎসীমার ৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ নদীর পানি শেরপুর পয়েন্টে বেড়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় এ পয়েন্টে পানিসীমা ছিল ৬.৮৩ সেন্টিমিটার; আজ সকাল ৯টায় পানিসীমা হয় ৬.৯৬ সেন্টিমিটার। পানি বেড়েছে ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টেও। এখানে আজ সকাল ৬টায় পানিসীমা ছিল ৮.৭০ সেন্টিমিটার; সকাল ৯টায় পানিসীমা দাঁড়ায় ৮.৭৪ সেন্টিমিটার।

এদিকে, গোয়াইনঘাটের সারি নদীর পানি বিপৎসীমার ০.৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া কানাইঘাটের লোভা নদীর পানি গতকালের চেয়ে বেড়েছে ০.৩৪ সেন্টিমিটার। গতকাল ছিল ১৪.৩৬ সেন্টিমিটার; আজ সকালে ১৪.৬৫ সেন্টিমিটার।

বৃষ্টি আর উজানের ঢলে পানিবৃদ্ধির কারণে সিলেট সদর, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের প্রধান সড়কগুলো এখন পানির নিচে। শত শত ফসলি জমি ডুবে আছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.