Main Menu

সীমান্তে আটকে পড়া অভিবাসীদের ‘উদ্ধার করছে না’ গ্রিস

নিউজ ডেস্ক:
গ্রিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এভ্রোস সীমান্তে ১৮ এপ্রিল থেকে আটকে থাকা একটি অভিবাসী দলকে উদ্ধার না করার অভিযোগ এনেছে গ্রিক কাউন্সিল ফর রিফিউজিস (সিজিআর)। এনজিওটির অভিযোগ, তুরস্কের সাথে থাকা সীমান্তে এভ্রোস নদীতে আটকা পড়া অভিবাসীদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দেয়ার পরেও কোনো আগ্রহ দেখায়নি গ্রিক কর্তৃপক্ষ।

গ্রিক কাউন্সিল ফর রিফিউজিস (সিজিআর) এক বিবৃতিতে বুধবার জানিয়েছে, তারা চলতি সপ্তাহের সোমবার গ্রিক কর্তৃপক্ষকে দেশটির উত্তরে এভ্রোস নদীর একটি দ্বীপে আটকা পড়া ১০ নাবালকসহ ৪৬ অভিবাসীকে উদ্ধারের জন্য বারবার অনুরোধ করলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উত্তর দেয়া হয়নি। খবর ইনফোমাইগ্রেন্টসের

সিজিআর আরও জানায়, এথেন্সের কাছে ১৬ শিশুসহ ৩৭ জন অভিবাসীর অন্য একটি দলকে উদ্ধারের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে উদ্ধারের পর গ্রিক কর্তৃপক্ষ ইঙ্গিত দেয় যে অন্য দলটির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এনজিওটির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে এভ্রোস অঞ্চলে সিরিয়া, তুরস্ক, আফগানিস্তান এবং ইরাক থেকে আসা কমপক্ষে ২৩০ অভিবাসীকে উদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। কিছুক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কখনও প্রতিক্রিয়া দেয়ারই প্রয়োজন মনে করে নি। এছাড়া অন্তত তিনটি ঘটনায় অভিবাসীদের দলকে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করার সুযোগ না দিয়েই তুরস্কে পুশব্যাক করা হয়েছিল।

এনজিও, অভিবাসন সংস্থা, অধিকার সংগঠন ও গণমাধ্যমগুলো নিয়মিত অভিযোগ সত্ত্বেও এথেন্স বরাবরই সীমান্তে অভিবাসীদের অবৈধভাবে পুশব্যাকের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

মার্চ মাসে গ্রিক ট্রান্সপারেন্সি অথরিটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে পরিচালিত তদন্তে এই জাতীয় অনুশীলনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অপরদিকে গত রোববার এভ্রোস নদীর কাছে গুলি বিনিময়ের পরে একজন ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি অন্যান্য শরণার্থীদের সাথে নদী পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

বিভিন্ন যুদ্ধ এবং দুর্দশা থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীরা প্রায়ই ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহিঃসীমান্ত হিসেবে পরিচিত গ্রিসকে বেছে নেন।

২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে হাজার হাজার অভিবাসী সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা শুরুর পর থেকে সীমান্তে প্রবল সামরিকীকরণ করেছে গ্রিস। সীমান্তে টহল জোরদারের পাশাপাশি এভ্রোস অঞ্চলে থার্মাল ক্যামেরা ও উচ্চ প্রযুক্তির রাডারসম্পন্ন ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং পাঁচ মিটার উঁচু ধাতব প্রাচীর স্থাপন করেছে এথেন্স।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.