Main Menu

জমজমাট ঈদ বাজার, যানজটে দুর্ভোগ

নিউজ ডেস্ক:
ঈদুল ফিতর যতই এগুচ্ছে ততই জমে উঠছে সিলেটে ঈদের বাজার। দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। ক্রেতাদের চলাচল যতই বাড়ছে, ততই বেড়ে চলছে নগরীতে যানজট। দুপুর থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সহ অলিগলি পাড়া-মহল্লায়ও প্রতিনিয়ত লেগে থাকছে যানজট। যানজটের কারণে নগরবাসীকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। ঈদের কেনাকাটা করতে মার্কেটমুখী মানুষের চাপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার, চৌহাট্টা, দরগা মহল্লা, আম্বরখানা, মীরাবাজার, সোবহানীঘাট, ধোপাদীঘিরপার, উপশহর, যতরপুর, শিবগঞ্জ, সুবিদবাজার, পাঠানটোলা, কাজলশাহ, সুরমা মার্কেট, কালীঘাট, লালদীঘিরপার, তালতলাসহ অর্ধশতাধিক স্থানে প্রতিদিন যানজট তীব্র আকার ধারণ করছে।

এসব স্থানে ঘন্টার পর ঘণ্টা যানজট স্থায়ী হলেও নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ ছিল না ট্রাফিক পুলিশের। হাতেগোনা কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশকে এ সময় অসহায়ভাবে দায়িত্বপালন করতে দেখা গেছে।

বিকাল সাড়ে ৫টার পর নগরীর সড়কগুলোতে যান চলাচল কিছুটা শৃঙ্খল হলেও সন্ধ্যার পর আবার তা বৃদ্ধি পায়।

সারা দিন রোজা রেখে অনেকেই রাতে মার্কেটে যান ঈদের কেনাকাটা করতে। তাদেরকে দিনের চেয়ে আরও বেশি যানজটে পড়তে হয়। দিনের বেলা সিলেটের অনতিদূরে অবস্থিত বিভিন্ন উপজেলার লোকজন ঈদ বাজার করতে নগরীতে আসেন। বাইরে থেকে আসা লোকজনের যানবাহনও নগরীর যানজটকে দীর্ঘায়িত করছে।

এ ছাড়াও নগরীর মধুবন সুপার মার্কেট, সিলেট প্লাজা, শুকরিয়া, আম্বরখানার সামস সুপার মার্কেটসহ বেশ কিছু বড় মার্কেটে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় নগরীতে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। লোকজন চলাচলের জন্য নির্মিত ফুটপাতগুলো চলে গেছে ভাসমান হকারদের দখলে। রাস্তায় তারা রকমারি পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসায় যানজট আরও তীব্র হচ্ছে। দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানজটের কবলে পড়ছে মানুষজন। এতে করে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না নগরবাসী।

নগরবাসী বলছেন, ঈদবাজারকে উপলক্ষ করে বিপুলসংখ্যক মানুষ নগরে চলাফেরা করায় যানজট আগের তুলনায় বেড়েছে। ফুটপাতগুলোকে ভাসমান হকারমুক্ত করলে যানজট কিছুটা লাঘব হবে বলে মনে করছেন নগরবাসী।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.