Main Menu

যুক্তরাজ্যপ্রবাসী শিক্ষিকা সাবিনার হত্যাকারীর সাজার রায়ে খুশি স্বজনরা

নিউজ ডেস্ক:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের মেয়ে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী স্কুল শিক্ষিকা সাবিনা নেসা (২৮) হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশে খুশি হয়েছেন দেশে থাকা তাঁর স্বজনরা। শনিবার(৯ এপ্রিল) উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের দাওরাই গ্রামের বাড়িতে গিয়ে রায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে স্বজনরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সাবিনা নেসার চাচা সেলিম আহমেদ বলেন, দ্রুততম সময়ে ভাতিজির হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করে যাবজ্জীবন কারাদ- দেওয়ায় আমরা খুশি। তিনি বলেন, লন্ডনের মতো একটি উন্নত রাষ্ট্রে এ ধরনের ঘটনা আর যেন না ঘটে। আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়।

সাবিনা নেসার ফুফু লুৎফা বেগম বলেন, কয়েক বছর আগে সাবিনা নেসা কে নিয়ে তার বাবা মা দেশে এসে গেছেন। খুব শান্ত বিনয়ী সাবিনা নেসার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমরা খুব কষ্ট পেয়েছি। তার হাস্যজ্জ্বল চেয়ারা ভুলতে পারছি না। দ্রুত বিচার হওয়ায় আমরা খুশি।

জগন্নাথপুর উপজেলার আশারাকান্দি ইউনিয়নের দাওরাই গ্রামের আব্দুর রউফ ও রোশনাই বেগমের দম্পতির মেয়ে সাবিনা নেসার জন্ম লন্ডনে হলেও কয়েক বছর আগে বাবা মায়ের সঙ্গে দেশে আসেন। সেখানে পড়াশোনা করে একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

শুক্রবার(৮ এপ্রিল) লন্ডনের কেন্দ্রীয় অপরাধ আদালত (ওল্ড বেইলি) ঘটনার সাথে জড়িত কোচি সেলামাজ (৩৬) কে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদ- দেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে সাবিনা নেসা গ্রিনউইচের বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পাঁচ মিনিট দূরত্বের পেগলার স্কয়ারে এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন তিনি। পরদিন কাছের কিডব্রুক এলাকার একটি পার্কের ভেতরে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। এর কয়েক দিন পর সিসি টিভির ফুটেজ দেখে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কোচি সেলামাজ কে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হয়। কোচি সেলামাজ পূর্ব সাসেক্সের ইস্টবোর্নের একটি গ্যারেজে কাজ করতেন। স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর তাঁর মনে নারীদের প্রতি আক্রোশ তৈরি হয়। যে কারণে তিনি এ ঘটনা করেছেন বলে তিনি আদালতের কাছে স্বীকার করেন ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.