Main Menu

আশ্রয় প্রার্থীদের বহিষ্কার করতে অভিবাসীদের ব্যবহার করছে গ্রিস

নিউজ ডেস্ক:
গ্রিক সিকিউরিটি বাহিনী তৃতীয় দেশীয় নাগরিকদের নিয়োগ করছে, যারা মধ্যপ্রাচ্য বা দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত হতে পারে, তারা গ্রিস-তুরস্ক সীমান্তে আশ্রয় প্রার্থীদের বহিষ্কার করার জন্য কাজ করে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ একথা জানিয়েছে।

এ বিষয়ে ২৯ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্থাটি। তাতে বলা হয়েছে, সীমান্তে আশ্রয় প্রার্থীদের আটকাতে বিভিন্ন বেআইনি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এমনকি তাদের কাছে থাকা টাকা, ফোনসহ অন্যান্য সম্পদ কেড়ে নেয়া হয়। তারপর এসব আশ্রয়প্রার্থীদের ছৌট নৌকায় করে এভরোস নদীর মাঝামাঝি নিয়ে বিপরীত দিকে চলে যেতে জোর করে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, এসব আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন করার এবং সঠিকভাবে তা যাচাই বাছাই করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের শরণার্থী ও অভিবাসী বিষয়ক পরিচালক বিল ফ্রিলিক বলেন, গ্রিক সরকার তৃতীয় পক্ষ ব্যবহার করে এমন কাজ করছে। এর মানে এই নয় যে, এই কাজের জন্য গ্রিক সরকার দায়ী নয়। এ বিষয়ে ইউরোপীয় কমিশনকে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ইইউ আইন লঙ্ঘনের জন্য গ্রিক সরকারকে দায়বদ্ধ করা উচিত।’

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সেপ্টেম্বর ২০২১ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত ২৬ আফগান শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তাদের মধ্যে ২৩ জনকে গ্রিস সীমান্ত থেকে তুরস্কে ঠেলে দেয়া হয়েছিল।

সাক্ষাত্কারে বলা হয়েছে, তুরস্কে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া নৌকাগুলে এমন ব্যক্তিরা চালাচ্ছিলেন, যারা অভিবাসীদের মধ্যে আরবি বা দক্ষিণ এশীয় ভাষার কথা বলেছিল। তারা বললো, এদের অধিকাংশই কালো বা কমান্ডো-মত ইউনিফর্ম পরতেন এবং তাদের মুখ ঢেকে রাখার জন্য বালাক্লভকে ব্যবহার করেছিলেন।

নৌকার চালকরা তাদের বলেছিল যে তারা, এমন অভিবাসী যারা গ্রীক পুলিশ কর্তৃক নিযুক্ত হয়েছে।

পুশব্যাক মানবাধিকার সম্পর্কিত ইউরোপীয় কনভেনশনের অধীনে যৌথ বহিষ্কারের নিষেধাজ্ঞাসহ একাধিক মানবাধিকারের মান লঙ্ঘন করে।

তবে গ্রিক সরকার শুরু থেকেই পুশব্যাকের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.