Main Menu

বাংলাদেশ কনস্যুলেটের রাজকীয় অভ্যর্থনায় দুবাইয়ের প্রিন্সেস

নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে চলতি বছরে। দু’ দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যেমন একই সময়ে তেমনি তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের নতুন মাত্রা তৈরি করেছে এই সময়ে। তাই দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক, বাংলাদেশ থেকে আগত মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দেশটিতে অবস্থানরত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে স্বাধীনতা দিবসের অভ্যর্থনা প্রদান করা হয়েছে। গত বুধবার ৩০/০৩/২০২২ রাতে দ্য অ্যাড্রেস দুবাই মল হোটেলে আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের মেয়ে দুবাইয়ের প্রিন্সেস শেখা ফুত্তাইম বিনতে মোহাম্মদ।

এ সময় বিভিন্ন দেশের কূনৈতিকদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. শহীদুজ্জামান, আমিরাতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে হোটেলের ডায়মন্ড বলরুমে অতিথিদের স্বাগত জানান কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন ও তার সহধর্মিণী মিসেস আবিদা হোসেন। শুরুতে দুই দেশের জাতীয় সংগীতের সুর বেজে ওঠে। এরপর ভার্চুয়াল মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে সুবর্ণজয়ন্তী পর্যন্ত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ কনস্যুলেটের দূতালয় প্রধান প্রবাস লামারাংয়ের সঞ্চালনায় অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন স্বাধীনতার মহান অর্জনকে ধরে রেখে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।
কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন বলেন, বাংলাদেশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক রয়েছে। আমরা যখন স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করেছি, ঠিক তখন এই দেশটিও তাদের ৫০ বছর উদযাপন করেছে। দুই দেশের এই সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই দেশ সফরের মধ্যদিয়ে। আজকের এই দিনে আমি বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করছি।

 






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.