Main Menu

কলকাতা বিমানবন্দরে বাংলাদেশি শিল্পী আটক

নিউজ ডেস্ক:
কলকাতা বিমানবন্দরে বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পীকে গাজী আনাস রওশনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালের দিকে তাকে আটক করে কলকাতার নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশ দফতরের কর্মকর্তারা।

আটক গাজী আনাস বাংলাদেশের ‘হ্যাভেন টিউন ফাউন্ডেশন’এর পরিচালক ও ‘হ্যাভেন টিউন নাশীদ ব্যান্ড’এর লিড সিঙ্গার।

জানা গেছে, শনিবার ২৬ মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়ার রাজনগর এলাকায় স্থানীয় ‘স্বপ্ন সন্ধান’ ক্লাবের উদ্যোগে একটি সম্প্রীতি উৎসবে এক ইসলামিক সঙ্গীত সন্ধ্যায় যোগ দেয়ার কথা ছিল গাজী আনাস রওশনের। এ লক্ষ্যে শুক্রবার দুপুর ১.৩০ মিনিট নাগাদ ঢাকা থেকে স্পাইস জেট’এর বিমানে বিকাল তিনটা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।

বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরপরই তাকে আটক করা হয়। এরপরই তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইমিগ্রেশন দফতরের কর্মকর্তারা।

বিষয়টি নিয়ে এদিন রাতে শিল্পীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়েই তিনি এদিন কলকাতা আসেন। বিমানবন্দরে অবতরণের পর বিমানবন্দরের ভিতরেই কিছু মানুষ তাকে ঘিরে ধরে সেলফি তুলতে থাকে। বিষয়টি নজরে যায় ইমিগ্রেশন দফতরের কর্মকর্তাদের। এরপরই গাজী রওশানকে ডেকে পাঠানো হয়।’

রওশান আরও জানান, ‘ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তার কাছে চান কোন উদ্দেশ্যে তিনি ভারতে এসেছেন। এরপরই তিনি তার অনুষ্ঠানের কথা জানান। তা শুনেই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা জানান যেহেতু ওই শিল্পী ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কলকাতায় এসেছেন, অর্থাৎ যেহেতু তাকে ওই অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের জন্য সম্মানীয় দেওয়া হবে, তাই তার ভিসা কেন বিজনেস’এর পরিবর্তে ট্যুরিস্ট ভিসা বহন করছেন। জবাবে রওশানও জানান, ওই অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ ভাবেই ঘরোয়া এবং সেখানে তিনি কোন পারিশ্রমিক নেবেন না।’

রওশনের এমন কথাতেও ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা তাকে ছাড়তে রাজি হননি। তাকে কলকাতা বিমানবন্দর থেকেই ফিরতি বিমানে ঢাকায় ফেরত যাওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু এইমুহূর্তে ফিরতি বিমান না থাকায় তিনি নিজের দেশেও ফেরত যেতে পারছেন না। এর পাশাপাশি শর্তসাপেক্ষে তাকে কলকাতায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে যদিও তার সম্ভবনা অত্যন্ত ক্ষীন বলেই মনে করছেন রওশন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.