Main Menu

খায়রুজ্জামানকে নিয়ে আইনি লড়াই চালাবে মালয়েশিয়া

নিউজ ডেস্ক:
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের সাবেক হাই কমিশনার এম খায়রুজ্জামানকে ফেরত পাঠাতে সেই দেশের সরকারই আইনি লড়াই করবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকারই এটাতে ফাইট করবে। এই কেইসে মালয়েশিয়া সরকারের সাকসেসফুলি উইন করার জন্য যদি কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, বাংলাদেশ সরকার অবশ্যই সেটা করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া সরকারই কিন্তু এটাকে ডিফেন্স করবে। কারণ এটি তাদের সিদ্ধান্ত- গ্রেফতার এবং বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্তটা মালয়েশিয়া সরকারের। সেখানে আমরা রিকোয়েস্ট করে থাকি বা তদবির করে থাকি, সেটা ভিন্ন ব্যাপার।

প্রসঙ্গত, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান ১৯৭৫ সালের জেল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন এবং পরে খালাস পান। খালাস পাওয়ার পর ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত মিয়ানমারের হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হন। ওই বছরই তাকে মালয়েশিয়ার হাই কমিশনার করে পাঠানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে খায়রুজ্জামানকে ঢাকায় ফিরতে আহ্বান জানান এবং পরবর্তীতে তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট বাতিল করা হয়।

খায়রুজ্জামান তার জীবনের ঝুঁকি অনুমান করে তিনি কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) কাছে যান এবং মালয়েশিয়ায় তার অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি পরিচয়পত্র পান। এরপর থেকে মালয়েশিয়ায় খায়রুজ্জামান এক দশকেরও বেশি সময় ধরে শরণার্থী হিসেবে বসবাস করে আসছেন।

পরে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মালয়শিয়ার অভিবাসন আইনে সেলাঙ্গর রাজ্যের আমপাংয়ের একটি বাসা থেকে খায়রুজ্জামানকে গ্রেফতার করে দেশটির পুলিশ।

ওই দিন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামজা জাইনুদিনের বরাতে মালয়েশিয়ার ইংরেজি দৈনিক দ্য স্টার জানায়, একটি অভিযোগ থাকায় খায়রুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ‘তার দেশের একটি অনুরোধ রয়েছে’।

একই দিনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছিলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার এম খায়রুজ্জামান ফিরিয়ে দিতে দেশটির সরকার রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি জানান, খায়রুজ্জামান অভিবাসন আইনে গ্রেফতার হয়েছেন। এ আইনে প্রবাসীরা অপরাধ করলে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগ আছে। এরপর থেকেই আবারও উঠে আসে তাকে দেশে ফেরত আনার প্রসঙ্গ।

তবে এরইমধ্যে তার স্ত্রী রিটা রহমান খায়রুজ্জামানের ঢাকায় ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে কুয়ালালামপুর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপেক্ষিতে বিচারক মোহাম্মদ জাইনি মাজলান বন্দি খায়রুজ্জামানকে ঢাকায় ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া স্থগিত করতে অভিবাসন বিভাগকে নির্দেশ দেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.