Main Menu

দেশে এলো ভূমধ্যসাগরে ঠান্ডায় মারা যাওয়া দুইজনের লাশ

নিউজ ডেস্ক:
সমুদ্রপথে ইতালি যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে অতিরিক্ত ঠান্ডায় মারা যাওয়া ৭ বাংলাদেশির মধ্যে মারা যাওয়া ইমরান হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে আজ। তাদের মধ্যে আরো একজনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। জয় তালুকদার নামে ওই অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ বিকেলে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শনিবার সকালে মাদারপুরে নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে দাফন করা হয় ইমরান হোসেনের লাশ। জেলায় ফেরার অপেক্ষায় আরো তিনজনের মরদেহ। এদিকে অবৈধ পথে ইউরোপ যাওয়া বন্ধে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালানোর উদ্যােগ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

গত ২৫ অক্টোবর, স্বচ্ছলতা আর সুখের আশায় অবৈধপথে ইতালির উদ্দেশে বাড়ি ছাড়েন মাদারীপুর সদরের পেয়ারপুর গ্রামের ইমরান হোসেন। সবশেষ ২২ জানুয়ারি লিবিয়া থেকে ফোনে মায়ের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। এরপর থেকেই পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

ভূমধ্যসাগর দিয়ে অবৈধপথে ইতালি যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ঠান্ডায় মারা যান ইমরান, জয়সহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি। পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ পরিবার। প্রিয় মানুষের এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা।

স্বজনহারা পরিবারগুলোকে খাদ্য ও শীতবস্ত্র দেয়াসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি অবৈধপথে তরুণদের বিদেশ যাওয়া বন্ধে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালানোর কথা জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এছাড়া কামরুল হাসান বাপ্পী নামের একজনের মরদেহ আসবে আগামীকাল। গত ২৫ জানুয়ারি ইতালির লাম্পেডুসা দ্বীপে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে তীব্র ঠান্ডায় মারা যান সাতজন। ইতালির বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তাদের মরদেহ ধাপে ধাপে দেশে আনা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে ৪ জনের বাড়ি মাদারীপুর এবং বাকিরা নরসিংদী, শরীয়তপুর ও সুনামগঞ্জের।

এর আগে ২০২১ সালে লিবিয়া থেকে সমুদ্র পথে প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী ইতালির উদ্দেশে যাত্রা করেন। সব বাধা অতিক্রম করে, প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী ইতালি পৌঁছাতে সক্ষম হয়। যার মধ্যে ৭ হাজার ৩০০ ছিলো বাংলাদেশি। আর সাগরে ডুবে মৃত্যুবরণ করেন ১ হাজার ৪০০ জন। বাকিরা কোস্টগার্ড ও নিরাপত্তা বাহিনীর বাধার মুখে লিবিয়া ও তিউনিসিয়ায় ফেরত যেতে বাধ্য হন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.