Main Menu

ফ্রান্সে আশ্রয় আবেদন: ২০২১ সালে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক:
ফ্রান্সে ২০২১ সালে আশ্রয় আবেদনে আফগানিস্তানেরপর অবস্থানে বাংলাদেশের। সম্প্রতি ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সার্বিক অভিবাসনের তথ্য ও পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদনে গেল বছর কতটি আশ্রয় আবেদন পড়েছে, কতজন জাতীয়তা পেয়েছেন কিংবা কতটি ভিসা প্রদান করা হয়েছে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গেল বছর ১৬ হাজার ১২৬টি আবেদন নিয়ে ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় জমাদানে শীর্ষে রয়েছেন আফগানিস্তানের মানুষ৷ এর পরই ছয় হাজার ২০০টি আবেদন নিয়ে যৌথভাবে আইভরিকোস্টের সাথে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ৷ তৃতীয় শীর্ষ রাজনৈতিক আশ্রয় আবেদন জমা দিয়েছেন আফ্রিকার দেশ গিনির অভিবাসীরা৷

এছাড়া ২০২১ সালে শিক্ষার্থী ভিসা, ট্যালেন্ট পাসপোর্ট এবং পারিবারিক ভিসায় কতজন ফ্রান্সে এসেছেন সেটিও উঠে এসেছে। নিচে পুরো পরিসংখ্যানের একটি সামগ্রিক চিত্র:

ফরাসি জাতীয়তা প্রাপ্তির হার

২০২১ সালে সাধারন ক্যাটাগরিতে ফরাসি জাতীয়তা অর্জন করেছেন ৭৭ হাজার অভিবাসী। যা বিগত বছরের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি। এছাড়া বিবাহের সূত্র জাতীয়তা পেয়েছেন আরও ১৭ হাজার বিদেশি নাগরিক। যা অবশ্য বিগত বছরের তুলনায় -৫,২ শতাংশ কম।

উল্লেখ্য করোনা মহামারিতে প্রথম সারি বা ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার হিসেবে কাজ করা প্রায় ১২ হাজার বিদেশিকে দ্রুততর পদ্ধতিতে বিশেষ বিবেচনায় ফরাসি নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়েছিল।

ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে ফ্রান্সে, বিশেষ এই উদ্যোগের আওতায় স্বাস্থ্য পেশাজীবী, নিরাপত্তা বা রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকর্তা, শিশু সেবা, দোকানের হিসাবরক্ষক ও বিক্রয় কর্মকর্তা, গৃহস্থালি কাজের সাহায্য কর্মী, আবর্জনা সংগ্রহকারীসহ বিভিন্ন পেশার ফ্রন্টলাইন কর্মীদের ফরাসি নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে।

ট্যালেন্ট পাসপোর্ট ও সাধারন ভিসা:

২০২১ সালে ফরাসি সরকার সর্বমোট ৭ লক্ষ ৩৩ হাজার ভিসা প্রদান করেছে। এছাড়া ২০১৬ সাল থেকে হাই স্কিল্ড উদ্যোক্তা এবং বিশেষ পেশায় দক্ষ অভিবাসীদের জন্য চালু হওয়া ট্যালেন্ট পাসপোর্ট প্রকল্পের আওতায় ৩৭ হাজার বিদেশিকে কার্ড-দ্যু-সিজ্যুর বা বসবাসের অনুমতি প্রদান করেছে।

এই ক্যাটাগরি তে বিভিন্ন স্টার্ট আপ প্রকল্প নিয়ে আসা উদ্যোক্তা, গবেষক, পেশাদার খেলোয়াড় এবং শিল্পীরা রয়েছেন।

পরিবার পুনর্মিলন ভিসা:

ফ্রান্সে অবস্থানরত বিদেশিদের পরিবার আনার ক্ষেত্রেই মূলত পরিবার পুনর্মিলন ভিসা প্রদান করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে সর্বমোট ৮৮ হাজার ২২৫ টি কার্ড দ্যু সিজ্যুর প্রদান করা হয়েছে পারিবারিক পুনর্মিলন ভিসায় আসা ব্যক্তিদের। যেটি ২০২০ সালের তুলনায় প্রায় ৮২ শতাংশ বেশি।

এছাড়া ২০২১ সালে স্বেচ্ছায় অথবা বাধ্য হয়ে ফ্রান্স ত্যাগ করেছে ১৩,৪০০ অনিয়মিত অভিবাসী। যেটি বিগত বছরের তুলনায় ৮২ শতাংশ বেশি।

১৩ হাজার ৪০০ জনের মধ্যে মাত্র ৩০০ জন ব্যক্তি অভিবাসনের জন্য নির্ধারিত ফরাসি দপ্তর (অফি)’র আর্থিক সহায়তায় স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে গিয়েছেন। সূত্র: ইনফোমাইগ্রান্টস।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published.